অলিভ অয়েল তেলের পাঁচ বিকল্প

বাজারজাতকরণের এই নীতিতে অলিভ অয়েল আজ জনপ্রিয়।এই তেল বেশিরভাগই আমদানি করা হয়। থাকে বোতলজাত অবস্থায়।আমাদানির সময় থেকে খাবার টেবিলে আসা পর্যন্ত এই তেল টাটকা থাকে না।আমারা ছোটবেলা থেকে অন্যান্য তেল দিয়ে তৈরি খাবার খেয়ে বড় হয়েছি; অলিভ অয়েল নয়। তাই আমাদের জন্য এই অঞ্চলে উৎপাদিত খাবার তেলগুলোই শরীরের জন্য বেশি উপকারী।পুষ্টিবিজ্ঞানের তথ্য নিয়ে এই প্রতিবেদনে অলিভ অয়েলে বিকল্প হিসেবে অন্যান্য খাবার তেলের গুণাগুণ তুলে ধরা হয়।

নারিকেল তেল: ‘স্যাচুরেটেড ফ্যাট’য়ে ভরপুর নারিকেল তেল শরীরে স্বাস্থ্যকর কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে।

তিলের তেল: প্রদাহ ও ব্যাকটেরিয়া নাশক উপাদান থাকে তিলের তেলে।

সরিষার তেল: ‘ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড’ বা ‘আলফা লিনোলিনিক অ্যাসিড’ প্রচুর পরিমাণে থাকে এই তেলে।

চিনাবাদমের তেল: অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ‘ফাইটোস্টেরলস’ এবং ভিটামিন-ই’য়ের আদর্শ উৎস চিনাবাদমের তেল।

কাজুবাদামের তেল: প্রদাহরোধী উপাদান এবং ভিটামিন-ই মিলবে এই তেল থেকে, যা কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে

 

About the author

chapolian

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>

Copyright © 2014. Created by whitepixel. Powered by Whitepixelbd.com