Breaking News

সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চিকুনগুনিয়ার প্রকোপ থাকবে: আইইডিসিআর



  • রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) জানিয়েছে, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চিকুনগুনিয়ার প্রকোপ থাকতে পারে। ১ থেকে ৫ জুন স্বাস্থ্য অধিদফতর ঢাকার ৪৭টি ওয়ার্ডে এডিস মশার প্রজননক্ষেত্রে জরিপ চালিয়ে এডিস মশার ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করেছে। এর মধ্যে ধানমন্ডি, কলাবাগান ও কাঁঠালবাগানে প্রকোপ বেশি দেখা যায়।

    ১৫ জুন বৃহস্পতিবার চিকুনগুনিয়া জ্বর ও মশা নিধন বিষয়ে সাংবাদিক অবহিতকরণ সভায় স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘চিকুনগুনিয়া জ্বর নিয়ে আতঙ্কের কিছু নেই। এই জ্বর এমনিতেই সেরে যায়। তবে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে কেউ যাতে চিকুনগুনিয়া সন্দেহ না করে, সে জন্য কয়েকটি লক্ষণ দেখে ধারণা পাওয়া যাবে।’

    তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলে অবশ্যই চিকিৎসা নিতে হবে। পাশাপাশি ডেঙ্গু ও টাইফয়েড থেকে দূরে থাকতে মশার উৎপত্তি প্রতিরোধ অব্যাহত রাখতে হবে। শহরের বাসাবাড়িতে ফুলের টব থাকে, ফ্রিজ থাকে। বাসার পাশে থাকে টায়ার। এসব জিনিসে মজা পানি চিকুনগুনিয়া ও ডেঙ্গুর জন্য দায়ী এডিস মশা জন্মানোর জন্য সহায়ক। গ্রামে এগুলো কম বলে সেখানে এসব রোগ কম ছড়াচ্ছে।

    সভায় জানানো হয়, চিকুনগুনিয়া ও ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে স্বাস্থ্য অধিদফতর ১৭ জুন শনিবার ঢাকার ৯২টি ওয়ার্ডে  মেডিকেল শিক্ষার্থীদের মাঠে নামাবে। তারা এডিস মশা ধ্বংসের পাশাপাশি জমে থাকা পানি অপসারণ এবং চিকুনগুনিয়া সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করবেন।

    আইইডিসিআরের পরিচালক মিরজাদি সেবরিনা জানান, গত এপ্রিল থেকে মে মাস পর্যন্ত ইনস্টিটিউটে ১৩৯টি নমুনা পরীক্ষায় ৮৬টি নমুনায় চিকুনগুনিয়ার অস্তিত্ব পাওয়া যায়। এসব ব্যক্তির অধিকাংশই ছিলেন রাজধানীর কলাবাগান, কাঁঠালবাগান ও রামপুরার বাসিন্দা। এছাড়া এখন পর্যন্ত বিভিন্ন হাসপাতালে ১ হাজার ৪৬০ জন চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত রোগী ভর্তি হওয়ার তথ্য আছে।

    সূত্র: প্রথম আলো