Breaking News

যে ৭ কারণে আপনার চুল দ্রুত পড়ে যাচ্ছে!




  •  আয়নায় তাকিয়ে আঁতকে উঠছেন, চুল পড়ে সব শেষ! এখন উপায়? ব্যস শুরু হয়ে গেলো চুল পড়া রোধের জন্য নানান হেয়ার ট্রিটমেন্ট। কিন্তু হঠাৎ করে চুল পড়া বেড়ে যাওয়ার কারণটি কী জানেন? এই চুল পড়ার বৃদ্ধি পাওয়ার জন্য আপনার কিছু অভ্যাস দায়ী। সাধারণত দৈনিক ১০০টা চুল পড়া স্বাভাবিক। এর বেশি চুল পড়া শুরু করলে সেটা চিন্তার বিষয়। হঠাৎ করে যদি চুল পড়া বেড়ে যায় তবে বুঝতে হবে এর পেছনে কোনো না কোনো কারণ রয়েছে।  আপনি নিজেই প্রতিনিয়ত করছেন এমন কিছু ভুলযার কারণে হারিয়ে ফেলছেন চুল।  

    ১। অতিরিক্ত স্ট্রেস

    স্ট্রেস শুধুমাত্র শারীরিক মানসিক স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলে তা কিন্তু নয়। চুল পড়ার অন্যতম একটি কারণ হলো অতিরিক্ত স্ট্রেস। ২০০৩ সালে আমেরিকান জার্নাল অফ প্যাথোলজি প্রকাশ করে যে, স্ট্রেস হেয়ার ফলিকের উপর ব্যাপক প্রভাব ফেলে থাকে। এছাড়া মানসিক চাপের কারণে আমাদের ইমোশনের যে তারতম্য ঘটে এতে চুলের স্বাভাবিক বৃদ্ধি এবং মজবুত থাকা নষ্ট হয়আর সে কারণেই অস্বাভাবিক হারে চুল পড়া শুরু হয়। এই চুল পড়ার ব্যাপারটি মানসিক চাপে পড়ার ৬ সপ্তাহ থেকে ৩ মাসের মধ্যে শুরু হয়। তাই অতিরিক্ত স্ট্রেস থেকে দূরে থাকুন।

    ২। অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস

    খাদ্যতালিকায় চুলের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার না থাকা চুল পড়ার জন্য অনেকাংশে দায়ী। আমরা বিভিন্ন সময় অস্বাস্থ্যকর বা জাঙ্ক খাবার খেয়ে থাকি যার কারণেও আমাদের চুলের ফলিকল এবং মাথার ত্বক ক্ষতিগ্রস্থ হয়। ফাস্ট ফুড জাতীয় খাবার বেশি খেলে চুলের টিস্যু নষ্ট হয়ে যায় দ্রুত। তাই খাদ্য তালিকার প্রতি নজর রাখুন। ফাস্ট ফুড জাতীয় খাবার বেশি খাবেন না। প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার রাখুন খাদ্য তালিকায়।

    ৩। অতিরিক্ত হেয়ারস্টাইল

    অতিরিক্ত হেয়ার ড্রাইয়ার, ব্লো ড্রাই, স্ট্রেইনার ইত্যাদি ব্যবহার করাও চুল পড়ার অন্যতম কারণ। প্রতিদিন হেয়ার স্টাইল করার পরিবর্তে মাঝে মাঝে হেয়ার স্টাইল করুন। এমনকি ঘন ঘন চুল রং করাও চুলের জন্য ক্ষতিকর।

    ৪। ভেজা চুল আঁচড়ানো

    ভেজা চুল আঁচড়ানোর বাজে অভ্যাস অনেকের রয়েছে। অভ্যাসের কারণে অনেকেই গোসল শেষে ভেজা চুল আঁচড়ে ফেলেন। এতে করে চুলের গোঁড়া নরম হয়ে যায় একেবারে। এবং চুলের জট ছাড়াতে গিয়ে চুলের ফলিকল নষ্ট হয়। ফলে অনেক বেশি মাত্রায় চুল পড়া শুরু হয়।

    ৫। অতিরিক্ত শ্যাম্পু করা

    চুল পরিষ্কার করার জন্য শ্যাম্পু করার প্রয়োজন রয়েছে। কিন্তু অতিরিক্ত শ্যাম্পু চুলের জন্য ক্ষতিকর। অতিরিক্ত শ্যাম্পু চুল থেকে প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার দূর করে এবং চুল করে তোলে রুক্ষ, শুষ্ক। সপ্তাহে তিনবার চুল শ্যাম্পু করার ভালো। যদি আপনার অনেক বেশি ঘাম হয় তবে দুই দিন পর পর শ্যাম্পু করতে পারেন।

    ৬। শক্ত করে চুল বাঁধা

    অনেকে মনে করেন শক্ত করে চুল বাঁধা চুলের জন্য ভালো। এতে চুল দ্রুত বৃদ্ধি পায়। এটি একটি ভুল ধারণা, শক্ত করে চুল বাঁধার ফলে চুলের ফলিকল অনেক ক্ষতিগ্রস্থ হয়। পরবর্তীতে এই ক্ষতির কারণে নতুন করে চুল গজানো বন্ধ হয়ে যায়।

    ৭। গরম পানির ব্যবহার

    কুসুম কুসুম চুলের জন্য ভালো। কিন্তু প্রতিদিন চুলে গরম পানি ব্যবহার করা ভালো নয়। গরম তাপ চুলের আগা ভেঙ্গে ফেলে। এছাড়া চুলের প্রাকৃতিক তেল ধুয়ে চুলকে রুক্ষ শুষ্ক করে তোলে।

    সূত্রটপ টেন হোম রেমিডিস