Breaking News

যে ৪ টি কাজ নিরাপদ গর্ভধারণের জন্য করা প্রয়োজন






  • বর্তমানে অনেক নারীকেই উর্বরতার সমস্যায় ভুগতে দেখা যায়।  পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম, এন্ড্রোমেট্রায়োসিস, ফাইব্রোয়েডস, ওভারিয়ান সিস্ট এর কারণে গর্ভধারণ করা নিয়ে সমস্যায় পড়তে হয় নারীদের। ভালো খবর হচ্ছে কিছু কাজের মাধ্যমে আপনি নিজেকে সন্তান ধারণের সময়ের জন্য উপযুক্ত করে তুলতে পারেন। ধাত্রীবিদ্যাবিশারদ ডা. আনিশা সিং ৪ টি সহজ পদক্ষেপের কথা বলেন যা আপনি আপনার ২০ বছর বয়স থেকেই মেনে চললে আপনার উর্বরতা বৃদ্ধি পাবে এবং আপনি ৩০ বছর বয়সে নির্ঝঞ্ঝাটভাবেই গর্ভধারণ করতে পারবেন।  চলুন তাহলে  গর্ভধারণের জন্য নিজেকে প্রস্তুতের ক্ষেত্রে করণীয়গুলোর বিষয়ে জেনে নিই।  

    ১। হরমোনের ভারসাম্য ঠিক রাখার জন্য সঠিক খাবার খান

    আপনার ডায়েটে উর্বরতা বৃদ্ধিকারী খাবার যুক্ত করুন। উচ্চমাত্রার মনোস্যচুরেটেড ফ্যাটযুক্ত খাবার যেমন – সূর্যমুখীর বীজ, অ্যাভোকাডো খান এবং প্রচুর মৌসুমি ফল ও সবজি খাওয়ার চেষ্টা করুন। ডিম্বস্ফোটন ও পিরিয়ডের মত জটিল কাজ সম্পাদন করার জন্য আপনার শরীরের মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট প্রয়োজন। ফলিকুলার ফেজ এ কুইনোয়া গ্রহণ করুন, ডিম্বস্ফোটনের সময় সবুজ সবজির জুস গ্রহণ করুন, পিরিয়ডের পূর্বে মিষ্টি আলু গ্রহণ করুন এবং পিরিয়ডের সময় অ্যাভোকাডো গ্রহণ করুন।  

    ২। স্ট্রেস কমান

    স্ট্রেস আমাদের দৈনন্দিন জীবনেরই অংশ এবং প্রত্যেকেরই এর অভিজ্ঞতা আছে। দীর্ঘমেয়াদী স্ট্রেস যেন আপনার স্বাভাবিক জীবনকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখা উচিৎ।  ক্রনিক স্ট্রেসের কারণে আপনার এন্ডোক্রাইন সিস্টেম প্রভাবিত হতে পারে। স্ট্রেসকে এড়িয়ে যাওয়া শিখুন এবং গর্ভধারণের সময় যেকোন ধরণের জটিলতাকে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করুন। যোগব্যায়াম ও মেডিটেশন আপনাকে স্ট্রেস মোকাবেলা করতে সাহায্য করবে। এছাড়াও আপনি পছন্দ করেন এমন কাজ যেমন- ফটোগ্রাফি, ভ্রমণ, লেখা বা যেকোন কাজ করতে পারেন যা  আপনাকে স্ট্রেসমুক্ত থাকতে সাহায্য করবে।

    ৩। এন্ডোক্রাইন সিস্টেমের জন্য ক্ষতিকর এমন সৌন্দর্য পণ্য বা পরিষ্কারক ব্যবহার করবেন না

     

    অনেক ঘরোয়া ও সৌন্দর্য পণ্যেই অনেক বিষাক্ত উপাদান থাকে। যদি এরা আপনার শরীরে প্রবেশ করে তাহলে তারা ফ্রি র‍্যাডিকেলের ড্যামেজ সৃষ্টি করতে পারে এবং স্বাস্থ্য সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি করতে পারে। তাই আপনার ব্যবহৃত পণ্যগুলোতে এন্ডোক্রাইনের সমস্যা সৃষ্টিকারী উপাদান যেমন- লিথিয়াম ক্লোরাইড ও বুটাইল অ্যালকোহল না থাকে যেন সেদিকে লক্ষ্য রাখুন। যতোটা সম্ভব প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করার চেষ্টা করুন।

    ৪। জন্ম নিয়ন্ত্রণের ঔষধ গ্রহণ করবেন না

    প্রেগনেন্সিকে এড়িয়ে যাওয়ার জন্য বার্থ কন্ট্রোল পিল গ্রহণ করা যায়। কিন্তু কেউ কেউ ব্রণ দূর করার জন্য বা পিরিয়ড নিয়মিত হওয়ার জন্যও বার্থ কন্ট্রোল পিল গ্রহণ করে থাকেন। এতে  অন্তর্নিহিত সমস্যাটি থেকেই যায়। তাই পিল না খেয়ে হরমোনের ভারসাম্য রক্ষার জন্য সঠিক ঔষধ সেবন করুন। হরমোনের ভারসাম্যহীনতা দূর করার জন্য খাদ্য এবং জীবনযাত্রার পরিবর্তন করুন।

    সূত্র: ওমেন্স হেলথ ব্লগ