1
অলিভ অয়েল তেলের পাঁচ বিকল্প
2
আবেদনময়ী বিপাশা বসু
3
বুঝেশুনে পান করুন আখের রস
4
বমি বমি ভাব দূর হয় যে ৫টি খাবারে
5
ব্লাড টেস্টে শনাক্ত করা যাবে ৮টি ক্যান্সার!
6
‘বুলেটপ্রুফ কফি’ ওজন কমাতে সাহায্য করবে
7
ভারতের নতুন মুখঃ সিদ্ধারত স্লাথিয়া
8
মাইগ্রেন ব্যথা দূর করার উপায়
9
মোবাইল রেডিয়েশন সৃষ্টি করে শোয়ানোমা ক্যান্সার
10
মহিলাদের মধ্যে ওবেসিটি ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে ,রুখতে চাই পর্যাপ্ত প্রোটিন

অলিভ অয়েল তেলের পাঁচ বিকল্প

বাজারজাতকরণের এই নীতিতে অলিভ অয়েল আজ জনপ্রিয়।এই তেল বেশিরভাগই আমদানি করা হয়। থাকে বোতলজাত অবস্থায়।আমাদানির সময় থেকে খাবার টেবিলে আসা পর্যন্ত এই তেল টাটকা থাকে না।আমারা ছোটবেলা থেকে অন্যান্য তেল দিয়ে তৈরি খাবার খেয়ে বড় হয়েছি; অলিভ অয়েল নয়। তাই আমাদের জন্য এই অঞ্চলে উৎপাদিত খাবার তেলগুলোই শরীরের জন্য বেশি উপকারী।পুষ্টিবিজ্ঞানের তথ্য নিয়ে এই প্রতিবেদনে অলিভ অয়েলে বিকল্প হিসেবে অন্যান্য খাবার তেলের গুণাগুণ তুলে ধরা হয়।

নারিকেল তেল: ‘স্যাচুরেটেড ফ্যাট’য়ে ভরপুর নারিকেল তেল শরীরে স্বাস্থ্যকর কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে।

তিলের তেল: প্রদাহ ও ব্যাকটেরিয়া নাশক উপাদান থাকে তিলের তেলে।

সরিষার তেল: ‘ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড’ বা ‘আলফা লিনোলিনিক অ্যাসিড’ প্রচুর পরিমাণে থাকে এই তেলে।

চিনাবাদমের তেল: অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ‘ফাইটোস্টেরলস’ এবং ভিটামিন-ই’য়ের আদর্শ উৎস চিনাবাদমের তেল।

কাজুবাদামের তেল: প্রদাহরোধী উপাদান এবং ভিটামিন-ই মিলবে এই তেল থেকে, যা কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে

 

আবেদনময়ী বিপাশা বসু

বলিউড পাড়ায় সবথেকে আবেদনময়ী নায়িকা হিসেবে বিপাশা বসুর নামই সবচে আগে আসে। ১৪ বছর ধরে  এই সেক্স আপিল ধরে রাখা কোন মুখের কথা না । ক্যারিয়ার এর শুরু থেকেই ভক্তদের মনে আবেদন ছড়িয়ে চলেছেন এই নায়িকা। শোনা যায়, এখনও অনেক পুরুষের মধ্যমণি তিনি।

বিপাশা কে এই প্রসঙ্গে কিছু প্রশ্ন করা হলে তার উত্তরে তিনি বেশ সাহসি উত্তর দেন। তিনি অকপতে বলেন কিভাবে তিনি ১৪ বছর যাবত তার এই সেক্স সিম্বল ধরে রেখেছেন। তার কাছে জানতে চাওয়া হয়ে ছিল তার নামের পাশের এই সেক্সি ট্যাগটি বহন করতে তার অনুভুতি কেমন?

এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বেশ অকপটে বলেন, “আমি ত নিজেকে ভাগ্যবান মনে করি।আমি যে চরিত্রেই অভিনয় করি না কেন আমাকে সেক্সি মনে হয়। আমি এমন অনেক চরিত্রে অভিনয় করেছি যা মোটেও গ্লামারাস না, কিন্তু ভক্তরা আমকে গ্লামারাস বলেছেন। আমি সত্যি সেক্সি। আমি যখন অভিনয় করি চরিত্র কে মাথায় রেখে করি।যে কাজই করি মন দিয়ে করি।“

“আক্রোশ” ছিনেমায় আমি একজন গৃহবধূর চরিত্রে অভিনয় করে ছিলাম। খুব সাধারন গৃহবধূর চরিত্র। কিন্তু ভক্তরা আমাকে সেক্সি হাউসওয়াইফ বলে সম্বোধন করেছেন। সুতরাং আমি সত্যি সেক্সি এর এজন্য আমি নিজেকে ভাগ্যবান মনে করি।“

আরেক প্রশ্নে তাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, এই পুরুষ কেন্দ্রিক ইন্ডাস্ট্রিতে তার এই সেক্স আপিল কে কেন্দ্র করে কেউ কেউ কি ফাইদা নিতে চায়নি? এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “কাউকে সুযোগ দিলে সে ফায়দা নিতে চাবে। এই ইন্ডাস্ট্রি তে হ্যাঁ বলা অনেক সহজ কিন্তু দৃঢ় ভাবে না বলা খুব কঠিন। যা আপনার নীতির বাইরে তাতে দৃঢ় বাভে না বলা জানতে হবে তাইলেই এই ইন্ডাস্ট্রি টিকে থাকা যাবে। নিজের সম্মান কে সবসময় বড় করে দেখতে হবে। নতুবা কেউ আপনাকে সম্মান করবে না।“

 

বুঝেশুনে পান করুন আখের রস

আমাদের দেশে গরমকালের অতিসাধারণ একটা দৃশ্য হলো, রাস্তার মোড়ে মোড়ে আখের রসের দোকান। অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকরভাবে আখের রস মেশিন থেকে বের করা হলেও এর ক্রেতার সংখ্যা কিন্তু কম নয়! রিকশাওয়ালা থেকে শুরু করে বড় অফিসের কর্তা- সবাইকে দেখা যায় রাস্তায় দাঁড়িয়ে আখের রস পান করতে।

অনেকে বোতলে ভরে বাড়িতেও নিয়ে যান। সাধারণত প্রতি গ্লাস আখের রস বিক্রি হয় ১০ টাকায়। ঠাণ্ডা ও মজার এ পানীয়টি এত সুলভ মূল্যের হওয়ায় এর ক্রেতার সংখ্যাও বেড়ে যাচ্ছে দিন দিন।

আখ শব্দের উৎপত্তি ‘ইক্ষু’ থেকে। অঞ্চলভেদে একে গেণ্ডারি বা কুশারও বলা হয়ে থাকে। আখ হলো বাঁশ ও ঘাসের জাতভাই। এর ইংরেজি নাম হলো Sugarcane এবং বৈজ্ঞানিক নাম হলো Saccharum officinarum।

আখের রস দিয়ে চিনি ও গুড় তৈরি করা হয় বলে এর চাষ করা হয়। সাধারণত আখের কাণ্ডের একটি টুকরা দুই-তৃতীয়াংশ মাটিতে পুঁতে দিয়ে এর চাষ করা হয়। তবে বর্তমানে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে গবেষণাগারে টিস্যু কালচারের মাধ্যমেও এর চাষের প্রসার ঘটছে।

আখের রস সম্পর্কে আমাদের সমাজে অনেক ইতিবাচক ধারণা প্রচলিত আছে। অথচ পুষ্টিবিদদের ভাষ্যমতে আখের রসে কোনো উন্নত পুষ্টিমান নেই! অন্যদিকে ভেষজবিদ, কবিরাজ ও আয়ুর্বেদীয় মতে, এটি খুবই উপকারী এবং রোগ নিরাময়ে সাহায্য করে। প্রতি ১০০ গ্রাম আখের রসে রয়েছে- খাদ্যশক্তি- ৩৯ ক্যালরি, আমিষ- ০.১ গ্রাম,  চর্বি- ০.২ গ্রাম, শর্করা- ৯.১ গ্রাম, ক্যালসিয়াম- ১০ মিলিগ্রাম, ফসফরাস- ১০ মিলিগ্রাম, আয়রন- ১.১ মিলিগ্রাম, ভিটামিন এ- ১০ আইইউ, ভিটামিন বি- ০.০৪ মিলিগ্রাম।তবে এই পুষ্টিমান আখের জাত ও উৎপাদনের স্থানের ওপর নির্ভরশীল।

আখের রস প্রসাব বৃদ্ধি ও পরিষ্কার করে বলে অনেকের ধারণা। অনেকের ধারণা এটা জন্ডিস ভালো করে। এ ধারণাটি ভুল। আখের রস যতটা স্বাস্থ্যসম্মত ও পুষ্টিকর ভাবা হয়, ততটা নয়। বরং আখের রস পান আপনার ওজন বৃদ্ধিতে একটা মারাত্মক ভূমিকা রাখতে পারে। একই সাথে অতিরিক্ত চিনির কারণে দাঁতেরও ক্ষতি হয় অনেক।

তাই বলে একেবারেই যে এর কোনো উপকারিতা নেই, তা কিন্তু নয়। আখের মধ্যে যে শর্করা বা ফ্রুকটোজ রয়েছে সেটা উপকারী। বিশেষ করে যাঁরা অতিরিক্ত পরিশ্রম করেন তাঁদের জন্য উপকারী। বাড়ন্ত শিশুদের জন্যও আখ উপকারী। কারণ এতে রয়েছে ১৫ শতাংশ প্রাকৃতিক চিনি, খনিজ লবণ ও ভিটামিন।

কিন্তু একজন সাধারণ পূর্ণ বয়স্ক মানুষের আখের রস দৈনিক পান না করাই উত্তম। যে উপকারের আশায় পান করবেন সেগুলো কিছুই মিলবে না। বরং বাড়তি চিনি গ্রহণ ক্ষতি বৈ লাভ কিছু করবে না। এছাড়াও আমাদের দেশে যে অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় আখের রস তৈরি করে বিক্রি করা হয়, সেগুলো পান না করাই খুব ভালো।

 

বমি বমি ভাব দূর হয় যে ৫টি খাবারে

বিভিন্ন কারণে অনেক সময় আমদের  বমি বমি ভাব হতে পারে। মানুষ সাধারনত কখনই ইচ্ছাকৃত ভাবে বমি করেনা ,মানুষের পেটে  সংক্রামক কিছু পড়লেই মানুষ বমি করতে সক্ষম হয়। আবার অনেক সময় দেখা যায় যে বমি না আসলেও এই বমি ভাবটা থেকেই যায় যেটা অনেক অস্বস্তিকর।

অনেক সময় আমরা বমি বন্ধ করা ওষুধ খেয়েও  কাঙ্ক্ষিত ফল পাই না। এই বমির সমস্যার কারণে অনেক আনন্দময় ভ্রমণও মাটি হয়ে যেতে পারে। অস্বস্তিকর এই পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে পারে কিছু খাবার।

জেনে নিন কি খাবার খেলে  বমি বমি ভাব দূর হয়

১। লবন এবং চিনির পানি

বমি হলে শরীরে বিভিন্ন ধরনের নুনের ভারসাম্য নষ্ট হয়। তাছাড়া জলেরও অভাব দেখা দেয়। তাই নুন, চিনির জল খেলে সব সমস্যাই মিটবে।

২। লেবু ও মধুর পানি

ঠান্ডা পানিতে লেবুর রস আর মধু মিশিয়ে খান। আরাম পাবেন। লেবু বেশ কিছু ভিটামিন আর খনিজের উৎস, যা বমি কমাতে সাহায্য করে।

৩। মৌরি

খাওয়ার পর একটু মৌরি খাবেন। বমিভাব দূর হবে। মুখের ভিতরটাও তরতাজা থাকবে।

৪। আদা

আদা কুচিয়ে পানিতে মিশিয়ে নিন আর সঙ্গে মধু। বমিভাব লাগলেই পান করুন। উপকার পাবেন।

৫। কমলালেবু

লেবুর মতোই কমলা লেবুও উপকারী। কমলার রসও খেতে পারেন।

৬। লবঙ্গ

 

ব্লাড টেস্টে শনাক্ত করা যাবে ৮টি ক্যান্সার!

উপসর্গ দেখা দেবার আগে ক্যান্সার শনাক্ত করা যেতে পারে এমন একটি টেস্ট আবিষ্কার করেছেন গবেষকরা। আটটি পরিচিত ক্যান্সার শনাক্ত করা যাবে এই ব্লাড টেস্টের সাহায্যে। এমন অনেক ক্যান্সার যা কিনা শনাক্ত করা খুবই কঠিন যেমন যকৃত এবং অগ্নাশয় ক্যান্সার এই ব্লাড টেস্টের সাহায্যে শনাক্ত করা যাবে।

রক্তে প্রাথমিক পর্যায়ের ক্যান্সার নির্দেশ করে এমন কিছু উপাদান শনাক্ত করে ক্যান্সার সিক নামের এই টেস্ট। এরমধ্যে টিউমার এমনকি ১৬ ধরণের ‘ক্যান্সার ড্রাইভ  এবং এক ধরনের প্রোটিন শনাক্ত করে এই টেস্ট।

শুধু তাই নয় এই টেস্ট এমন কিছু ক্যান্সার যেমন ওভারিয়ান ,স্টমাক, লিভার  এবং প্যানক্রিয়াটিক ক্যান্সার সনাক্ত করার কোন উপায় বর্তমানে নেই এবংএই সব ক্যান্সার সাধারণত এমন অবস্থায় গিয়ে ধরা পরে যখন রোগীকে সারিয়ে তোলা কঠিন হয়ে যায়, এই সকল ক্যান্সার  শনাক্ত করা যাবে এই টেস্টের মাধ্যমে

‘বুলেটপ্রুফ কফি’ ওজন কমাতে সাহায্য করবে

ছাত্র–ছাত্রী হোক কিংবা চাকুরিজীবী, কফি খাওয়াটা যেন অতি আবশ্যিক একটি জিনিস। কফি খাওয়ার কথা উঠলেই অনেকেই আবার বলবে কফি খেলে শরীরের ক্ষতি হতে পারে। এখানেই কামাল দেখাতে চলেছে‘‌বুলেটপ্রুফ কফি’‌। অন্তত বিশেষজ্ঞদের মত এমনটাই। তাঁরা জানিয়েছে ওজন কমাতেও সাহায্য করবে।

বুলেটপ্রুফ কথাটি শুনলে অনেকেরই মনে হতে পারে এর সঙ্গে বন্দুক–গুলি–র কোনও সম্পর্ক আছে কিনা?‌ তাহলে বলে রাখা ভাল, না নেই। আসলে মাখন দিয়ে তৈরি কফিকেই বলা হয়ে থাকে ‘‌বুলেটপ্রুফ কফি’। এই কফি যেমন আপনার কার্যক্ষমতাকে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেবে, তেমনই আপনার ওজন কমাতেও সাহায্য করবে।

কীভাবে তৈরি করবেন এই বুলেটপ্রুফ কফি?‌

১.‌ কফি
২.‌ ১/‌৪ থেকে ১/‌২ চামচ নুন ছাড়া মাখন
৩.‌ ১ টেবিলচামচ ব্রেন অক্টেন অয়েল কিংবা নারকেল তেল।

পদ্ধতি: নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে কফি তৈরির পর মাখন এবং তেলটি মিশিয়ে নিতে হবে। তাহলে কফিতে ক্রিম ভাবটিও থাকবে। আর তারপর নির্দিষ্ট পাত্রে ঢেলে কফিটি পান করতে পারবেন আপনি।

অতএব এবার ওজন কমাতে, সুস্বাস্থ্যে অধিকারী হতে এবং কাজ করার সময় ক্লান্তিকে দূর করতে আপনিও বাড়িতে বানিয়ে নিন ‘‌বুলেটপ্রুফ কফি’। ‌

 

ভারতের নতুন মুখঃ সিদ্ধারত স্লাথিয়া

ভারতের কাশ্মিরের জম্মু এলাকার ছেলে সিদ্ধারত স্লথিয়া ইন্টারনেট দুনিয়ায় ঝড় তুলেছে অরিজিৎ সিং এর গাওয়া তুম হি হ গান টি গেয়ে। ফেস বুক কে প্লাটফর্ম করে প্রথম সে তার গান মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়। তার পর আর থেমে থাকতে হয়নি। একের পর এক পুরনো ও নতুন গান গেয়ে মানুষের মন জয় করে নিয়েছেন তিনি। ভারতের অতি সাধারন ঘরের ছেলে সিদ্ধারত। জয়পুর উনিভারসিতি থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং পরতে পরতে “Three idiots ” ছবিটি দেখেন তিনি। আর তার পরই মন স্থির করেন তার জন্য ইঞ্জিনিয়ারিং না। সব ছেড়ে তিনি আবার জম্মু তে ফিরে আসেন। এবং জম্মু উনিভারসিতি তে মিউজিক নিয়ে পড়াশোনা শুরু করেন। উচ্চাঙ্গ সংগীতে স্নাতক পাস করে তিনি চলে আসেন দিল্লি। সেখানে নিজের এপার্টমেন্টই ছোট করে একটি রেকর্ডিং স্টুডিও বসান এবং সেখানেই সংগীত চর্চা শুরু করেন।

তিনি ভারতীয় বিখ্যাত গায়ক সনু নিগাম কে তার আইদল মনে করেন। তিনি সনু নিগাম, অরিজিৎ সিং, আতিফ আসলাম, শান, কুমার শানু। ইত্যাদি অনেক শিল্পীর গান তিনি গেয়েছেন। প্রত্যেকটি গান ই মানুষের মন জয় করে নিয়েছে। সম্প্রতি তিনি অনেক হিন্দি ছবিতেও গান গেয়েছেন।

তার উল্লেখযোগ্য গানগুলোর মধ্যে রয়েহে তুম হি হ, আয়ে হ মেরি জিন্দেগি ম্যায়, বহত পেয়ার কারতে হে, রাশকে কামার, ও মেরি জান, চেন্না মেরিয়া, দিল ক তুমসে পেয়ার হুয়া ইত্যাদি।

 

মাইগ্রেন ব্যথা দূর করার উপায়

কমবেশি প্রত্যেকটি মানুষ-ই জীবনে একটু আধটু মাইগ্রেনের ব্যথায় ভোগেন। মাইগ্রেনের ব্যথা খুবই যন্ত্রণাদায়ক। কিন্তু এখন আপনি চাইলেই নিমিষেই আপনার মাইগ্রেন দূর করতে পারবেন। মাইগ্রেন থেকে রক্ষা পেতে এখন  মেডিটেশন খুবই কার্যকর। কিভাবে মেডিটেশনের মাধ্যমে থেকে রক্ষা পাওয়া যায় আসুন জেনে নেই। প্রথমেই জানতে হবে মাইগ্রেন কি? মাইগ্রেন হলো এক ধরনের মাথাব্যথা। মাইগ্রেন হলে বমি বমি ভাব হয়। মাথার ভিতরে অস্বস্তি হয়। দু চোখের মাঝে ব্যথা হয়। এতে আক্রান্ত হয়ে কারো কারো দৃষ্টিবিভ্রম হয়। আসুন এখন জেনে নেই কিভাবে মাইগ্রেন দূর করবেন। মাইগ্রেন শুরু হওয়ার কিছু লক্ষণ রয়েছে। যেমন বমি বমি ভাব, মাথা ঘোরা মাথায় উষ্ণতা অনুভব করা ইত্যাদি। যখনই এমন কিছু মনে হবে তখনই চেয়ারে মেরুদন্ড টানটান করে বসুন কিংবা শক্ত বিছানায় শুয়ে পড়ুন এবং বুক ফুলিয়ে দম নিন। মুখ দিয়ে আস্তে আস্তে দম ছারুন। এভাবে কয়েকবার দম নিন আর ছারুন। এভাবে কয়েক বার করতে থাকলে দেখবেন মাথার অস্বস্তি দূর হয়েছে এবং মাথা হালকা লাগছে। ।এভাবে  নাকের ফুটোই খেয়াল করুন কিভাবে বাতাস আপনার নাক দিয়ে ঢুকে ফুসফুসে প্রবেশ করছে আবার বের হয়ে আসছে কিছুক্ষণ এভাবে দমের দিকে মনোযোগ দিলে আপনার শরীর ভারী হয়ে আসবে সেই সঙ্গে দূর হবে আপনার মাইগ্রেন।

মোবাইল রেডিয়েশন সৃষ্টি করে শোয়ানোমা ক্যান্সার

একটি গবেষণায় দেখা গেছে একটি বিশেষ ধরনের ক্যানসার তৈরি হওয়ার ঝুঁকি দেখা যায় মোবাইল ফোনের বিকিরণ বা রেডিয়েশন থেকে।

২০১৬ সালে একটি গবেষণায় এনআইএইচের এর বিজ্ঞানীরা একটি প্রাথমিক তথ্য প্রকাশ করেন যে, মোবাইল ফোনের রেডিয়েশন এর ফলে ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশিমোবাইল ফোন বা স্মার্টফোনে থেকে যে স্বল্পমাত্রায় ফ্রিকোয়েন্সির আল্ট্রাভায়লেট রেডিয়েশন নিঃসৃত হয় যার শক্তি আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মি কিংবা এক্সরের মতো শক্তিশালী না হলেও গবেষণা করে জানা যায় যে উচ্চমাত্রায় এটা স্বাস্থ্যের পক্ষে মারাত্মক ক্ষতিকর।

মহিলাদের মধ্যে ওবেসিটি ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে ,রুখতে চাই পর্যাপ্ত প্রোটিন

মহিলাদের মধ্যে স্থূলতা বা ওবেসিটি ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু মহিলারাই এ বিষয়ে অবহেলা করে থাকেন। তাদের মধ্যে সচেতনতার অভাব রয়েছে। ওবেসিটিতে আক্রান্ত মোট জনসংখ্যার মধ্যে ভারত তৃতীয় স্থানে রয়েছে। ওবেসিটি থাকলে জটিল রোগ হওয়ার ঝুঁকি থাকে। ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য ঠিক মাত্রায় প্রোটিন অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, বিশ্বে প্রায় ৬৫ কোটি বয়স্ক ওবেসিটিতে আক্রান্ত। ওবেসিটির কবলে পড়বেন। শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজন যথাযথ ডায়েট। অনিয়মিত জীবনযাপনের ফলে মহিলাদের মধ্যে উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে ওবেসিটি। কিন্তু জনস্বাস্থ্যে ওবেসিটি‌কে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয় না। নন–‌কমিউনিকেব্‌ল ডিজিজের তালিকার মধ্যে ওবেসিটিকেও গুরুত্ব দিয়ে রাখা দরকার। ওবেসিটি থেকে শরীরে নানা রকম জটিলতার সৃষ্টি হয়। গর্ভাবস্থায় হার্টের অসুখ দেখা যায়। বিভিন্ন কারণে মহিলাদের ওবেসিটি গ্রাস করছে।

নিয়মিত স্বাস্থ্যকর খাবার খেলে এবং শরীরচর্চা করলে অনেকটাই ওবেসিটির গ্রাস থেকে দূরে থাকা সম্ভব। এক্সারসাইজের মধ্যে পদ্ধতিগত কিছু পরিবর্তন করলে তার কার্যকারিতা ভাল পাওয়া যায়। এ ছাড়া যথার্থ পুষ্টি পর্যাপ্ত পরিমাণে শরীরে গেলে ওজন বৃদ্ধি এবং তার থেকে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার হাত থেকে  বাচা সম্ভব। পরিকল্পনা করে এমন প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে, যা সহজে হজম হবে।

নিয়মিত স্বাস্থ্যকর খাবার খেলে এবং শরীরচর্চা করলে অনেকটাই ওবেসিটির গ্রাস থেকে দূরে থাকা সম্ভব। এক্সারসাইজের মধ্যে পদ্ধতিগত কিছু পরিবর্তন করলে তার কার্যকারিতা ভাল পাওয়া যায়। এ ছাড়া যথার্থ পুষ্টি পর্যাপ্ত পরিমাণে শরীরে গেলে ওজন বৃদ্ধি এবং তার থেকে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার হাত থেকে বাচা সম্ভব। পরিকল্পনা করে এমন প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে, যা সহজে হজম হবে।

চর্বিযুক্ত, কোলেস্টেরল ও শর্করাসমৃদ্ধ খাবার কম খাওয়া দরকার। স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খেলে তার সুফল অনেক। ফল, সবজি খেতে হবে। চর্বি–‌জাতীয় খাবার, চিনি, লবণ মাত্রাতিরিক্ত খাওয়া যাবে না। প্রাণিজ প্রোটিনের থেকে উদ্ভিজ প্রোটিনের গুণ বেশি। কারণ হার্টের রোগ এবং অন্যান্য জটিলতার ঝুঁকি কম থাকে। ওবেসিটি থেকে রক্ষা পেতে ঠিকঠাক ডায়েট অপরিহার্য।

 

 

Copyright © 2014. Created by whitepixel. Powered by Whitepixelbd.com